Tuesday, December 22, 2015

এ বছরের সেরা অ্যাপ ‘ফেসবুক’

.
এ বছরের শীর্ষ অ্যাপ হিসেবে জায়গা ধরে রেখেছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের নেটওয়ার্ক ফেসবুক। মার্কিন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের গড় সংখ্যার হিসেব করে এ তথ্য জানিয়েছে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিয়েলসেন। শীর্ষ অ্যাপ হিসেবে ফেসবুক জায়গা ধরে রাখলেও সবচেয়ে দ্রুত জনপ্রিয় হওয়া অ্যাপ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে ফেসবুকের মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশন। 

২০১৪ সাল থেকে মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশনটিকে ফেসববুক থেকে পৃথক করে আলাদা চ্যাট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দাঁড় করায় ফেসবুক। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জোর করেই এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহারে বাধ্য করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ২০১৫ সালের শুরুর দিকেই এটি অ্যাপ স্টোরের শীর্ষে চলে আসে। ২০১৪ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে এসে মেসেঞ্জোর ব্যবহারকারী ৩১ শতাংশ হারে বেড়েছে। 

নিয়েলসেনের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবহারকারী হিসেবে এ বছরের শীর্ষ অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে রয়েছে ফেসবুক, ইউটিউব, ফেসবুক মেসেঞ্জার, গুগল সার্চ, গুগল প্লে, গুগল ম্যাপস, জিমেইল, ইনস্টাগ্রাম, অ্যাপল মিউজিক, ম্যাপস (অ্যাপল)।

জাদুকরি হলোলেন্স

হলোলেন্স
শীত এখনো জাঁকিয়ে বসেনি বটে, তবে ডিসেম্বরের এই ফুরফুরে হাওয়াই বলে দিচ্ছে বছরটার শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে আমরা। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে স্টিভ জবস যেমন বলেছিলেন, বর্তমানে দাঁড়িয়ে শুধু অতীতের ঘটনার বিন্দুগুলোকে এক সুতোয় বাঁধা যায়, ভবিষ্যতের যায় না।
২০১৫ সালে অনেক নতুন প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে বদলে দিয়েছে, দিচ্ছে, আগামী দিনগুলোতেও এই ধারা চলতে থাকবে। তবে এ বছরের যুগান্তকারী আবিষ্কারটা বোধ হয় মাইক্রোসফটের হলোলেন্স। টাইম সাময়িকীর তালিকার শুরুটাও হয়েছে এই হেডসেট দিয়েই।
ভার্চুয়াল রিয়ালিটি নিয়েই কাজ করেছে মাইক্রোসফট। বাস্তব আর অবাস্তবকে এক করাই হলোলেন্সের কাজ। আপনার পারিপার্শ্বিক পরিবেশেই হলোলেন্স চোখে পরে নতুন কিছু দেখা যাবে, নতুন কিছু করার সুযোগ পাওয়া যাবে । মোটামুটি সব ধরনের মানুষেরই কাজে আসবে এই হেডসেট। বিশেষ করে নতুন কিছু তৈরি করে হাতে পাওয়ার আগেই সিমুলেশনের মাধ্যমে কার্যকারিতা দেখে নিতে সাহায্য করবে এই হেডসেট।
 তথ্য ও ছবি: মাইক্রোসফট