এ বছরের শীর্ষ অ্যাপ হিসেবে জায়গা ধরে রেখেছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের নেটওয়ার্ক ফেসবুক। মার্কিন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের গড় সংখ্যার হিসেব করে এ তথ্য জানিয়েছে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিয়েলসেন। শীর্ষ অ্যাপ হিসেবে ফেসবুক জায়গা ধরে রাখলেও সবচেয়ে দ্রুত জনপ্রিয় হওয়া অ্যাপ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে ফেসবুকের মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশন।
২০১৪ সাল থেকে মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশনটিকে ফেসববুক থেকে পৃথক করে আলাদা চ্যাট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দাঁড় করায় ফেসবুক। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জোর করেই এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহারে বাধ্য করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ২০১৫ সালের শুরুর দিকেই এটি অ্যাপ স্টোরের শীর্ষে চলে আসে। ২০১৪ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে এসে মেসেঞ্জোর ব্যবহারকারী ৩১ শতাংশ হারে বেড়েছে।
নিয়েলসেনের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবহারকারী হিসেবে এ বছরের শীর্ষ অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে রয়েছে ফেসবুক, ইউটিউব, ফেসবুক মেসেঞ্জার, গুগল সার্চ, গুগল প্লে, গুগল ম্যাপস, জিমেইল, ইনস্টাগ্রাম, অ্যাপল মিউজিক, ম্যাপস (অ্যাপল)।
Today News
Tuesday, December 22, 2015
জাদুকরি হলোলেন্স
শীত এখনো জাঁকিয়ে বসেনি বটে, তবে ডিসেম্বরের এই ফুরফুরে হাওয়াই বলে দিচ্ছে বছরটার শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে আমরা। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে স্টিভ জবস যেমন বলেছিলেন, বর্তমানে দাঁড়িয়ে শুধু অতীতের ঘটনার বিন্দুগুলোকে এক সুতোয় বাঁধা যায়, ভবিষ্যতের যায় না।
২০১৫ সালে অনেক নতুন প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে বদলে দিয়েছে, দিচ্ছে, আগামী দিনগুলোতেও এই ধারা চলতে থাকবে। তবে এ বছরের যুগান্তকারী আবিষ্কারটা বোধ হয় মাইক্রোসফটের হলোলেন্স। টাইম সাময়িকীর তালিকার শুরুটাও হয়েছে এই হেডসেট দিয়েই।
ভার্চুয়াল রিয়ালিটি নিয়েই কাজ করেছে মাইক্রোসফট। বাস্তব আর অবাস্তবকে এক করাই হলোলেন্সের কাজ। আপনার পারিপার্শ্বিক পরিবেশেই হলোলেন্স চোখে পরে নতুন কিছু দেখা যাবে, নতুন কিছু করার সুযোগ পাওয়া যাবে । মোটামুটি সব ধরনের মানুষেরই কাজে আসবে এই হেডসেট। বিশেষ করে নতুন কিছু তৈরি করে হাতে পাওয়ার আগেই সিমুলেশনের মাধ্যমে কার্যকারিতা দেখে নিতে সাহায্য করবে এই হেডসেট।
তথ্য ও ছবি: মাইক্রোসফট
২০১৫ সালে অনেক নতুন প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে বদলে দিয়েছে, দিচ্ছে, আগামী দিনগুলোতেও এই ধারা চলতে থাকবে। তবে এ বছরের যুগান্তকারী আবিষ্কারটা বোধ হয় মাইক্রোসফটের হলোলেন্স। টাইম সাময়িকীর তালিকার শুরুটাও হয়েছে এই হেডসেট দিয়েই।
ভার্চুয়াল রিয়ালিটি নিয়েই কাজ করেছে মাইক্রোসফট। বাস্তব আর অবাস্তবকে এক করাই হলোলেন্সের কাজ। আপনার পারিপার্শ্বিক পরিবেশেই হলোলেন্স চোখে পরে নতুন কিছু দেখা যাবে, নতুন কিছু করার সুযোগ পাওয়া যাবে । মোটামুটি সব ধরনের মানুষেরই কাজে আসবে এই হেডসেট। বিশেষ করে নতুন কিছু তৈরি করে হাতে পাওয়ার আগেই সিমুলেশনের মাধ্যমে কার্যকারিতা দেখে নিতে সাহায্য করবে এই হেডসেট।
তথ্য ও ছবি: মাইক্রোসফট
Sunday, November 1, 2015
ফেসবুকে নিজের অনুসন্ধান তথ্য মুছুন
ফেসবুকে আমরা যা-ই করি না কেন, তার প্রতিটা কাজের হিসাব রাখে এই ওয়েবসাইটটি। শুধু কোনো ছবিতে লাইক দেওয়া বা কোনো পোস্টে মন্তব্য করার তথ্যই যে সংরক্ষণ করে তা নয়, বরং ব্যবহারকারীর পরের আচরণ, বিশেষ করে তথ্য খোঁজার (সার্চ) গতিবিধিও নজরে রাখে ফেসবুক। গুগলের মতোই ফেসবুকেও ব্যবহারকারীর প্রতিটা অনুসন্ধানের বিবরণ থেকে যায়। অন্যভাবে বলা যায়, ফেসবুক সার্চ বক্সে যখনই কারও নাম লিখে খোঁজা হয়, তখনই দিনক্ষণসহ তা লিপিবদ্ধ হয়।
ফেসবুকে নিজে কী খুঁজেছেন, তা অবশ্য অন্য কেউ দেখতে পারবে না। ফেসবুকের গোপনীয় নীতিমালায় এটা আগে থেকেই নির্ধারণ করে দেওয়া থাকে। কিন্তু বর্তমানে বেশির ভাগই ব্যবহারকারী একই সঙ্গে তাঁদের কম্পিউটার ও মুঠোফোনে ফেসবুক সচল রাখেন। এর মানে হলো, নিজের এই কম্পিউটার বা যন্ত্র যদি অন্য কারও হাতে পড়ে, তাহলে একমুহূর্তেই লুকানো যত অনুসন্ধান, সব দেখে নেওয়া সম্ভব। তবে নিজের এই অনুসন্ধান ইতিহাস সম্পাদনা করা বা পুরোপুরি মুছে দেওয়া সম্ভব।
এ জন্য ফেসবুকে প্রবেশ করে ওপরের দিকে থাকা সার্চ বক্সে ক্লিক করুন। সাম্প্রতিক সময়ে করা কিছু অনুসন্ধানের ফলাফল দেখার পাশাপাশি একটু ডানেই EDIT নামে একটা অপশন পাওয়া যাবে। এটি নির্বাচন করুন। অনুসন্ধান ইতিহাসের পৃষ্ঠাটি খুললে সেখান থেকে নির্দিষ্ট অনুসন্ধান মুছতে চাইলে ডানে গোলাকার বা সার্কেল আইকনটি ক্লিক করে মুছে দিতে পারেন। আর যদি সব ইতিহাস মুছে ফেলতে চান, তাহলে ডান কোনায় থাকা Clear Searches ক্লিক করুন।
একটি সতর্কীকরণ পপ-আপ এলে আবার একই অপশনে ক্লিক করুন। ফেসবুকের শুরু থেকে এ পর্যন্ত করা যাবতীয় অনুসন্ধান ইতিহাস মুছে যাবে।
ফেসবুকে নিজে কী খুঁজেছেন, তা অবশ্য অন্য কেউ দেখতে পারবে না। ফেসবুকের গোপনীয় নীতিমালায় এটা আগে থেকেই নির্ধারণ করে দেওয়া থাকে। কিন্তু বর্তমানে বেশির ভাগই ব্যবহারকারী একই সঙ্গে তাঁদের কম্পিউটার ও মুঠোফোনে ফেসবুক সচল রাখেন। এর মানে হলো, নিজের এই কম্পিউটার বা যন্ত্র যদি অন্য কারও হাতে পড়ে, তাহলে একমুহূর্তেই লুকানো যত অনুসন্ধান, সব দেখে নেওয়া সম্ভব। তবে নিজের এই অনুসন্ধান ইতিহাস সম্পাদনা করা বা পুরোপুরি মুছে দেওয়া সম্ভব।
এ জন্য ফেসবুকে প্রবেশ করে ওপরের দিকে থাকা সার্চ বক্সে ক্লিক করুন। সাম্প্রতিক সময়ে করা কিছু অনুসন্ধানের ফলাফল দেখার পাশাপাশি একটু ডানেই EDIT নামে একটা অপশন পাওয়া যাবে। এটি নির্বাচন করুন। অনুসন্ধান ইতিহাসের পৃষ্ঠাটি খুললে সেখান থেকে নির্দিষ্ট অনুসন্ধান মুছতে চাইলে ডানে গোলাকার বা সার্কেল আইকনটি ক্লিক করে মুছে দিতে পারেন। আর যদি সব ইতিহাস মুছে ফেলতে চান, তাহলে ডান কোনায় থাকা Clear Searches ক্লিক করুন।
একটি সতর্কীকরণ পপ-আপ এলে আবার একই অপশনে ক্লিক করুন। ফেসবুকের শুরু থেকে এ পর্যন্ত করা যাবতীয় অনুসন্ধান ইতিহাস মুছে যাবে।
রোবটিক প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক পেল বুয়েটের টিম ‘দিশারী
সম্প্রতি মালয়েশিয়ার লংকাউয়িতে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক রোবটিক প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক পেয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ‘টিম দিশারী’। এ প্রতিযোগিতার নাম আইইইই-আরএএস ইন্টারন্যাশনাল রোবট প্রাইড কমপিটিশন-২০১৫। তিনজনের এ দলে রয়েছেন বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. জাকারিয়া হায়দার, ধীমান চৌধুরী এবং মৃন্ময় সরকার।প্রতিযোগিতাটি আয়োজনের তত্ত্বাবধানে ছিল মালয়েশিয়ার রোবোটিকস অ্যান্ড অটো মোশন সোসাইটি।
প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে জাকারিয়া বলেন, ‘অনলাইনে আবেদনের পর যাচাই-বাছাই শেষে আমরা চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ পাই। প্রতিযোগিতার মূল পর্ব অনুষ্ঠিত হয় মালয়েশিয়ায়। এর বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও মালয়েশিয়ার ১৬ টি দল অংশ নেয়। সেখানে আমাদের তৈরি রোবট প্রদর্শনের পর বিচারকদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে আমরা স্বর্ণপদক পেয়েছি। সিলভার এবং ব্রোঞ্জ পেয়েছে মালয়েশিয়ার দুটি বিশ্ববিদ্যালয়।’
এই প্রোজেক্টের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বুয়েটের ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ডঃ শেখ আনোয়ারুল ফাত্তাহ।
রোবট প্রসঙ্গে ধীমানের ভাষ্য, ‘আমাদের তৈরি রোবটটির নাম ‘ম্যাপ-এক্সপ্লোরার’। এটি ধ্বংসস্তূপের নিচে গিয়ে মানুষের অবস্থান নির্ণয়ের চেষ্টা করতে পারে। দূর থেকে রোবটটি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে; আর রোবটের সঙ্গে থাকা ক্যামেরায় ধারণ করা ছবি সরাসরি ভেসে উঠবে পর্দায়।’
টিম দিশারীর অন্য সদস্য মৃন্ময় বলেন, ‘প্রথমবারের মতো কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে স্বর্ণপদক জেতার অনুভূতি অসাধারণ।’
ম্যাপ এক্সপ্লোরার রোবটটিকে আরও ব্যবহার উপযোগী করে তৈরির জন্য কাজ চলছে বলে জানালেন এর নির্মাতারা।
১৩ নভেম্বর পৃথিবীতে আছড়ে পড়বে স্পেস জাঙ্ক
১৩ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার উপকূল থেকে ৪০ মাইল দূরে ভারত সমুদ্রে একটি ‘রহস্যময় স্পেস জাঙ্ক’ আছড়ে পড়তে পারে। তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। মহাকাশীয় বস্তুটি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা না থাকায় একে রহস্যময় বলা হচ্ছে।যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা বলছেন, এর আকার হতে পারে ৭ ফুটের মতো। এই স্পেস জাঙ্ক বা মহাকাশ আবর্জনাটি অবশ্য কোনো গ্রহাণু নয়। এটি মানবসৃষ্ট কোনো যানের ধ্বংসাবশেষ হতে পারে। সম্প্রতি মহাকাশে বিস্ফোরণের শিকার হওয়া কোনো রকেটের টুকরা কিংবা অ্যাপোলো মিশনে ব্যবহৃত কোনো যন্ত্রের টুকরাও হতে পারে এটি।
অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগার ক্যাটালিনা স্কাই সার্ভের গবেষকেরা বস্তুটি প্রথম শনাক্ত করেছেন। তাঁরা পৃথিবীর সন্নিকটে আসা গ্রহাণু ও ধূমকেতু খোঁজার সময় এই বস্তুটির সন্ধান পান। তাঁরা একে ডাকছেন ‘ডব্লিউটি১১৯০এফ’ বা ‘ডব্লিউটিএফ’ নামে।
নেচার সাময়িকীকে হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফল অ্যাস্ট্রোফিজিকসের গবেষক জোনাথন ম্যাকডাওয়েল বলেছেন, ‘মহাকাশ ইতিহাসের হারানো একটি টুকরো যা আবার পৃথিবীতে ফিরে আসছে।’
জ্যোতির্বিদ্যা সংক্রান্ত সফটওয়্যার নির্মাতা বিল গ্রে দাবি করেছেন, ‘ডব্লিউটি১১৯০এফ’ উপবৃত্তকার কক্ষপথে পরিভ্রমণ করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ লাখেরও বেশি আবর্জনা পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। এর মধ্যে প্রতি বছরই কিছু আবর্জনা কক্ষচ্যুত হয়ে পৃথিবীতে পড়ে। এ ধরনের আবর্জনার বেশির ভাগই পৃথিবীতে ফেরার আগেই বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে সংঘর্ষে পুড়ে ধ্বংস হয়ে যায়। তবে পৃথিবীতে পড়লে তা বিপদ ঘটাতে পারে।
গবেষকেরা বলছেন, স্পেস জাঙ্কটি বায়ুমণ্ডলে পুড়ে বেশির ভাগ ধ্বংস হয়ে যাবে। যেটুকু অবশিষ্ট থাকবে তা প্রত্যন্ত অঞ্চলে পড়বে, যেখানে কোনো মানববসতি নেই।
বিশ্বের প্রথম থ্রিডি প্রিন্টেড গাড়ি ‘ব্লেড’
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডাইভারজেন্ট মাইক্রোফ্যাক্টরিজ ‘ব্লেড’ নামের একটি থ্রিডি প্রিন্টেড গাড়ি তৈরি করছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এটাই বিশ্বের প্রথম থ্রিডি প্রিন্টেড গাড়ি। আজ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।থ্রিডি প্রিন্টিং বা ত্রিমাত্রিক মুদ্রণ হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যাতে ডিজিটাল মডেল থেকে অনুরূপ আকৃতির ত্রিমাত্রিক কঠিন বস্তু তৈরি করা হয়। সাধারণ প্রিন্টারে কালি ব্যবহৃত হলেও থ্রিডি প্রিন্টারে যে ধাতু দিয়ে বস্তু তৈরি করা হবে সে ধাতব কাঁচামাল ব্যবহার করা হয়।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডাইভারজেন্ট মাইক্রোফ্যাক্টরিজের তৈরি ব্লেড নামের প্রোটোটাইপ এই সুপারকার গাড়ি উৎপাদনের বিষয়টিকেই বদলে দিতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার কেভিন সিনজার দীর্ঘদিন ধরেই গাড়ি নির্মাণ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত।
তাঁর কাছে মনে হয়েছে, আধুনিক গাড়ি যতই জ্বালানি সাশ্রয়ী বা ধোঁয়া নির্গমন পাইপ নিয়ে তৈরি করা হোক না কেন গাড়ি উৎপাদনের এই ব্যবসা পরিবেশের ওপর প্রভাব ফেলছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিজনার বলেন, ধাতব পদার্থের থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তি গাড়ি নির্মাণের পুরো প্রক্রিয়াটি বদলে দিতে পারে। নির্দিষ্ট মডুলার কাঠামো তৈরি করে এবং তা একত্রে জুড়ে গাড়ি তৈরি করা যেতে পারে। এখন যেভাবে গাড়ি তৈরি করা হয় তাতে পরিবেশের ক্ষতি হয়। কিন্তু থ্রিডি প্রিন্টার ব্যবহার করে গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরিতে পরিবেশের ক্ষতি হয় না।
‘ব্লেড’ গাড়ি তৈরি প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী ব্র্যাড ব্লাজার বলেন, ‘গাড়ির জন্য যে থ্রিডি প্রিন্টেড চ্যাসিস বানানো হয়েছে তার ওজন ১০২ পাউন্ড যা ইস্পাত দিয়ে তৈরি চ্যাসিসের মতোই মজবুত ও নিরাপদ। ইস্পাত বা অ্যালুমিনিয়ামের পরিবর্তে এই চ্যাসিস তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে কার্বন ফাইবার। এতে পুরো গাড়ির ওজন কমে ৬৩৫ কেজিতে দাঁড়িয়েছে। গাড়িতে ব্যবহৃত হয়েছে ৭০০ হর্সপাওয়ারের ইঞ্জিন যা গ্যাসেও চালানো যায়।
ব্লাজার বলেন, পরিবেশবান্ধব দ্রুতগতির সুপারকার তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে প্রটোটাইপ এই ব্লেড গাড়িটি তৈরি করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ডিজিটাল অনুরূপ থেকে ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) কঠিন বস্তু হুবহু তৈরি করতে পারে এই বিশেষ প্রিন্টার। যন্ত্রাংশ উৎপাদন শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে এই প্রযুক্তি। কিডনি থেকে শুরু করে বন্দুক, গাড়ি, কৃত্রিম হাত-পা সংযোজন, শিল্পকর্মের প্রতিরূপ (রেপ্লিকা) তৈরির মতো কাজে থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তির ব্যবহারে আগামী কয়েক দশকে আমাদের জীবনযাত্রায় অভাবনীয় পরিবর্তন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যেভাবে কাজ করে
১. কম্পিউটার-সহায়ক সফটওয়্যার ব্যবহার করে একটি থ্রিডি ছবি তৈরি করা হয়।
২. প্রিন্টারে সিএডি ফাইল পাঠানো হয়।
প্লাস্টিক ফিলামেন্টে মোটরের মাধ্যমে প্লাস্টিক গলিয়ে একটি সরু মুখ (নজল) দিয়ে বের করা হয়।
৩. প্রিন্টারটি তরল, গুঁড়া, কাগজ বা ধাতব বস্তুর স্তর তৈরি করে এবং পর্যায়ক্রমে একটি কাঙ্ক্ষিত বস্তুর অনুরূপ গঠন করে।
হাসি দিয়েই কম্পিউটার চালু
আপনার হাসিও হতে পারে অনন্য। হয়তো আপনার মতো সুন্দর হাসি কেউ হাসতে পারে না। এই হাসি দিয়েই কিন্তু ভবিষ্যতে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন আপনি। কম্পিউটারের জন্য নতুন এক ধরনের প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কাজ করছেন গবেষকেরা। এ প্রযুক্তিতে অঙ্গভঙ্গি, শারীরিক ভাষা এবং মুখের বিভিন্ন ভাব চিনতে সক্ষম হবে কম্পিউটার।বর্তমানে ক্লিক, টাইপ, সার্চ এবং সিরির মতো ভারচুয়াল সহকারী সফটওয়্যারের মাধ্যমে ভয়েস কমান্ড দিয়ে পিসি চালাতে পারেন পিসি ব্যবহারকারী।
যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির (সিএসইউ) গবেষকেরা বলেন, ‘মানুষ যেভাবে একে অপরের সঙ্গে মুখোমুখি যোগাযোগে হাসি, ভ্রুকূটি, নির্দেশনা ও বিভিন্ন আওয়াজ ব্যবহার করে একে তার সঙ্গে তুলনা করা যায়। আমাদের তৈরি প্রকল্পের নাম কমিউনিকেশন থ্রু জেশ্চার, এক্সপ্রেশন অ্যান্ড শেয়ারড পারসেপশন।
গবেষক ব্রুস ডারপার বলেন, বর্তমানে মানুষ ও কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগের বিষয়টি সীমিত। প্রথমদিকে এ যোগাযোগ ছিল শুধু একমুখী। মানুষ কেবল কম্পিউটারকে নির্দেশ দিত। কিন্তু বর্তমানে কম্পিউটার আমাদের সঙ্গী হয়ে গেছে যা জটিল অনেক কাজ করতে পারে। কম্পিউটারের সঙ্গে এখন কথোপকথন চালিয়ে যাওয়ার প্রযুক্তি দরকার।
গবেষকেরা বলেন, বর্তমানে ইলিমেন্টারি কম্পোজেবল আইডিয়াস (ইসিআইএস) নামের একটি লাইব্রেরি তৈরির কথা ভাবেন। এটি হবে একটি তথ্যের ভান্ডার বা প্যাকেট যা কম্পিউটার শনাক্ত করতে পারবে। প্রতিটি ইসিআইয়ে মানুষের মুখভঙ্গি শনাক্ত করার তথ্য থাকবে।
Subscribe to:
Comments (Atom)
